রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধানঃঃ
রাজশাহী নগরীতে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিলসহ আনিস (২১) নামের এক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে (মহানগর গোয়েন্দা শাখা) ডিবি পুলিশের একটি দল। (১০ অক্টোবর) শনিবার সকাল ৭টার দিকে নগরীর মতিহার থানাধিন বিনোদপুর বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ১০০ (একশত) বোতল ফেন্সিডিল। জব্দ করা হয় ফেন্সিডিল বহন কাজে ব্যবহৃত অটো বাইক। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী আনিস নগরীর মতিহার থানাধীন সুরাফানের মোড় এলাকার জালালের ছেলে বলে অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাজশাহীর সময় ও মতিহার বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সেই সাথে মাদকের সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্তা ও শনিবার যে সময়ে ফেন্সিডিল আটক করা হয় সেখানে না থাকলে খবরে নাম এসেছে একই এলাকার আকবরের ছেলে মেহেদি হাসান ওলির (১৭)। অথচ ঐ মামলায় এজাহার কপিতে ওলির নাম কোথাও নাই। প্রতিবেদক মনগড়া নিউজ করেছেন বলে দাবী করেন ওলি।
তিনি বলেন, মামলার এজাহার অনুযায়ী ফেন্সিডিল আটক করা হয় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে। সে সময়ে তিনি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। বিষয়টি তিনি জানেনও না, তিনি বিরোদপুর ইসলামিয়া কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র। এছাড়াও নিউজ পোর্টাল দুইটিতে আনিস নামে যাকে আটক দেখানো হয়েছে মামলার এজাহার অনুযায়ী তার প্রকৃত নাম আনাস এবং বাড়ি সুরফানের মোড় নয়। তার বাড়ি ডাঁশমারীর চড়সাত বাড়িয়াতে। প্রকৃত পক্ষে প্রতিবেদক দুই’জন উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সম্পূর্নভাবে মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে নিউজ করেছেন। যা তার এবং তার পরিবারের মানহানী করেছে বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে ওলির বড় ভাই হাসিবুল হাসান বলেন, তিনি মামলার কপি উত্তোলন করেছেন। এখানে মোট ৫জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। এই এজাহারে তার ছোট ভাই ওলির নাম নাই। এখানে যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন, ডাঁশমারীর চরসাতবাড়িয়ার নূর ইসলামের ছেলে আনাস আলী, সাতবাড়িয়ার ডগারঘাট এলাকার আনুর ছেলে সুমন, ডাঁশমারী পুর্বপাড়ার মারাজ এর ছেলে সোহেল, সুরফানের মোড় এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে জালাল ও খোঁজাপুর বৌ বাজার এলাকার মৃত জামালের ছেলে জনি। সম্পূর্নভাবে তাদের সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্যই এই দুই প্রতিবেদক মনগড়া নিউজ করেছেন। আমি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী আমাকে এবং আমার পরিবারকে হেউ করার জন্যই এই নিউজ করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায়। এই পোর্টাল দুইটিতে যারা মিথ্যা নিউজ করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবীও জানান হাসিবুল।